শিরোনাম

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা স্থগিতের ঘোষণাকে অস্বীকার করেছে।
সোমবার (২৩ মার্চ) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কোনো ধরনের আলোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের উদ্দেশ্য মূলত জ্বালানির দাম কমানো এবং তার সামরিক পরিকল্পনার জন্য সময় ক্রয় করা।
ইরান উল্লেখ করেছে, আঞ্চলিক দেশগুলোর কিছু ‘উদ্যোগ’ রয়েছে, তবে তাদের উদ্বেগ জানাতে হলে তা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা উচিত, কারণ যুদ্ধের শুরু করেছে ওয়াশিংটনই।
এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ঘোষণা দেন, ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত থাকবে। ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, গত দুদিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ‘ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে। তবে হামলা না করার সিদ্ধান্ত আলোচনার সাফল্যের ওপর নির্ভর করছে।
এই ঘোষণার পর তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স প্রতি ব্যারেল প্রায় ১০৪ ডলারে নেমেছে, যা ৭.২ শতাংশ কম, একপর্যায়ে ৯৬ ডলারে নামায়। মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম সর্বনিম্ন ৮৫.২৮ ডলারে নেমে এসেছে, যা ১৩ শতাংশের বেশি পতন।
রোববার ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। এর পর ইরান পাল্টা হুমকি দিয়েছে, যাতে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন মালিকানাধীন স্থাপনায় হামলা চালালে হরমুজ প্রণালি বন্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে মাইন স্থাপন করা হবে।
সূত্র: আল–জাজিরা